

নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী হিমালয় অঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। নেপালের কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে অন্তত ১৫৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সীমান্তের তিব্বত অংশে আরও তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। শত শত পর্যটক, তীর্থযাত্রী ও স্থানীয় মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নেপালের রাসুয়া, নুয়াকোট ও আশপাশের অঞ্চল। প্রবল পানি, কাদা ও পাথরের স্রোতে বহু বাড়িঘর, সড়ক, সেতু ও অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। জনপ্রিয় ট্রেকিং ও তীর্থযাত্রার পথগুলোও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার কয়েক ডজন নাগরিকও নিখোঁজ বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
বন্যার কারণ নিয়ে তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পের পর ভূমিধস অথবা হিমবাহ থেকে নেমে আসা তুষার ও ধসের কারণে ভোতে কোশি নদীতে আকস্মিকভাবে বিপুল পানি ও ধ্বংসাবশেষ নেমে আসার কথা বলা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা হিমবাহ-সম্পর্কিত আকস্মিক বন্যার সম্ভাবনাকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন।
নেপালের সেনাবাহিনী, পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন উপায়ে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। তবে ধ্বংস হয়ে যাওয়া সড়ক, সেতু এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।
দুর্যোগ পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল হওয়ায় হতাহত ও নিখোঁজের সংখ্যা আরও পরিবর্তিত হতে পারে।














































আপনার মতামত লিখুন :