যুদ্ধের পর ইরানের সামরিক শক্তির পুনর্গঠনের গতি দেখে হতবাক ইসরায়েল


নিউজ ডেক্স প্রকাশের সময় : অগাস্ট ১৬, ২০২৬, ৭:১০ পূর্বাহ্ন
যুদ্ধের পর ইরানের সামরিক শক্তির পুনর্গঠনের গতি দেখে হতবাক ইসরায়েল

সংঘাতের পর ইরান যেভাবে দ্রুত সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন করছে, তা দেখে ইসরায়েলি সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের বরাতে শনিবার ইন্ডিপেনডেন্ট এ তথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধের মূল পর্ব শেষ হওয়ার পর তেহরান দ্রুত সামরিক শক্তি বিশেষ করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বাড়াতে সক্ষম হওয়ায় চিন্তিত হয়ে পড়েছেন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা।

ইসরায়েলের শীর্ষ প্রতিরক্ষা কর্তারা স্বীকার করেন, ইরান আক্রমণাত্মক সক্ষমতা বাড়াতে নতুন ও কৌশলী পথ খুঁজে নিয়েছে। হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার সময় ইরানের কাছে আনুমানিক ১ হাজার ৩০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের শুরুতেই সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ২ হাজার ৫০০টিতে। তেহরানের দাবি, তারা ধারণার চেয়েও দ্রুত গতিতে নতুন অস্ত্র তৈরি করছে।

এদিকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়নেও একই ধরনের উদ্বেগের তথ্য উঠে এসেছে। এক মার্কিন কর্মকর্তার মতে, ইরান ড্রোন ও অস্ত্র সক্ষমতা পুনর্গঠনে ওয়াশিংটনের দেওয়া পূর্বাভাস ও সময়সীমা ছাড়িয়ে গেছে। সিএনএনের খবরে জানা যায়, অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপাদান চীন থেকে ইরানে সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।

অন্যদিক দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে আসছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে। ফলে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করতে হলে মার্কিন বাহিনীকে তুলনামূলক ঝুঁকিপূর্ণ বোমারু বিমান নির্ভর অভিযানের ওপর ভরসা করতে হতে পারে।

ইসরায়েলি বাহিনী নিশ্চিত করেছে, ইরান কীভাবে তার সামরিক শক্তিবৃদ্ধি করছে, তা তারা সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। তবে গোয়েন্দা নিরাপত্তার স্বার্থে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি আইডিএফ।

ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন: