

অস্ট্রেলিয়ায় মূল্যস্ফীতি আবারও বেড়েছে। অস্ট্রেলিয়ান ব্যুরো অব স্ট্যাটিস্টিকসের (এবিএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১২ মাসে ভোক্তা মূল্যসূচক বা সিপিআই বেড়েছে ৪.৩ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৪ শতাংশ। জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপের মধ্যে এই বৃদ্ধি পরিবারগুলোর উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।
বার্ষিক মূল্যস্ফীতিতে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছে আবাসন খাত, যেখানে ব্যয় বেড়েছে ৫.২ শতাংশ। পরিবহন খাতে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে ৮.৭ শতাংশ এবং খাদ্য ও অ্যালকোহলবিহীন পানীয়ের দাম বেড়েছে ৩.২ শতাংশ। অর্থাৎ দৈনন্দিন প্রয়োজনের একাধিক খাতেই বাড়তি খরচের মুখে পড়ছেন বাসিন্দারা।
অস্বাভাবিক বড় মূল্যপরিবর্তনের প্রভাব বাদ দিয়ে হিসাব করা অন্তর্নিহিত মূল্যস্ফীতির সূচক ‘ট্রিমড মিন’ও বেড়েছে। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বছরে এই হার দাঁড়িয়েছে ৩.৬ শতাংশে, আগস্টের সংশোধিত হিসাবে যা ছিল ৩.৫ শতাংশ।
এ অবস্থায় সবার নজর রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার (আরবিএ) পরবর্তী সুদের সিদ্ধান্তে। বর্তমানে নগদ সুদের হার ৪.৬০ শতাংশ। আগামী মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর সিডনি সময় দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে নতুন সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
নতুন মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের পর ন্যাশনাল অস্ট্রেলিয়া ব্যাংক (এনএবি) নভেম্বরেই সুদ ০.২৫ শতাংশ পয়েন্ট বাড়ানোর পূর্বাভাস দিয়েছে। তা হলে নগদ সুদের হার হবে ৪.৮৫ শতাংশ। তবে এটি এনএবির পূর্বাভাস—আরবিএ এখনো সুদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি।
সুদ বাড়লে এবং ঋণদাতা ব্যাংকগুলো সেই বৃদ্ধি কার্যকর করলে পরিবর্তনশীল সুদের গৃহঋণের কিস্তি আরও বাড়তে পারে। ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ঋণগ্রহীতাদের ওপর সম্ভাব্য বাড়তি চাপও আসন্ন সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।














































আপনার মতামত লিখুন :