

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করেছেন তার নাতনি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন তিনি।
এর আগে, বিকেল ৪টার দিকে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শুরু হয় এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধে অনন্য ভূমিকা, জাতীয় জীবনে গৌরবোজ্জ্বল ও উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি মন্ত্রিসভার সদস্য, উচ্চ পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বছর ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পদক দেওয়া হয়েছে। গত ৫ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।
এবার পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নাম, প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে মরণোত্তর এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
পুরস্কারের জন্য মনোনীত অন্যান্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান হলো– মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবুল জলিল (মরণোত্তর) এবং প্রতিষ্ঠান হিসেবে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম; চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল; সংস্কৃতিতে এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) এবং বশির আহমেদ (মরণোত্তর); সাহিত্যতে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর); ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান লিনু।
সমাজসেবা/জনসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর); মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর); মো. সাইদুল হক; এস ও এস চিলড্রেন ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
গবেষণা ও প্রশিক্ষণতে মোহাম্মদ আবদুল বাকী (পিএইচডি), অধ্যাপক ড. এম এ রহিম এবং অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া।
জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর); পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ); পরিবেশ সংরক্ষণে আব্দুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।
পুরস্কারপ্রাপ্তরা ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, সনদপত্র এবং সম্মানির চেক পেয়ে থাকেন।








































আপনার মতামত লিখুন :