

দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর স্বৈরাচারের পতন হলেও এখন দেশ গড়ার কঠিন চ্যালেঞ্জ সামনে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, বিগত ১৫-১৬ বছরে দেশের প্রতিটি খাত ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে, যা পুনর্গঠন করতে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা অপরিহার্য।
শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ভাষানটেকে নির্বাচনী প্রচারণার দ্বিতীয় দিনে আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধির কাছেই কেবল জনগণ তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরতে পারে।
বিগত ১৫ বছরের ‘নিশিরাতের’ ও ‘আমি-ডামি’ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তখন যারা তথাকথিত এমপি ছিলেন, তাদের কাছে কি আপনারা সমস্যা নিয়ে যেতে পেরেছিলেন? পারেননি। তাই উন্নয়ন ও সমস্যা সমাধানের জন্য জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার প্রয়োজন। তিনি কেবল জাতীয় সংসদ নয়, বরং ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে প্রতিটি স্তরে জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আরও বলেন, আমি যেভাবে আজ আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে সরাসরি সমস্যাগুলো জানতে চাচ্ছি, আমার প্রত্যাশা ভবিষ্যতে প্রতিটি জনপ্রতিনিধি এভাবেই জনগণের কাছে গিয়ে তাদের সমস্যার কথা শুনে সমাধানের উদ্যোগ নেবেন।
তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি দেন যে, মানুষের নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিএনপি পর্যায়ক্রমে কাজ করবে। বিশেষ করে বেকার তরুণ-তরুণীদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি উপস্থিত হাজারো জনতাকে সাথে নিয়ে একটি শপথবাক্য পাঠ করেন ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।
জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবায়দা রহমান, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আব্দুস সালাম, নাজিম উদ্দিন আলম, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, সদস্য সচিব মোস্তফা জামানসহ ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
ইএইচ






































আপনার মতামত লিখুন :