

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত এক নতুন ও জটিল মোড় নিয়েছে। আজ ইসরায়েল একই সঙ্গে ইরান, ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী এবং লেবাননের হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে বড় ধরনের হামলার শিকার হয়েছে। এই ত্রিমুখী আক্রমণে ইসরায়েলের সামরিক ও কৌশলগত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
শনিবার বিকেলে ইরান থেকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র জেরুজালেমের নিকটবর্তী ইশতাওল শহরে আঘাত হানে। ইসরায়েলি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এটি ভূপাতিত করতে ব্যর্থ হলে জনবহুল এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটে। এতে অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন এবং একটি পার্কিং লটসহ আশপাশের ভবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সামরিক সূত্রমতে, ক্ষেপণাস্ত্রটিতে শক্তিশালী সাধারণ ওয়ারহেড ব্যবহার করা হয়েছিল।
অন্যদিকে, শনিবার সকালেই ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী দক্ষিণ ইসরায়েলের বীরশেবা ও সংলগ্ন এলাকায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। হুতি মুখপাত্র ইয়াহইয়া সারি এক ভাষণে দাবি করেছেন, তারা ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে। যদিও ইসরায়েলি বাহিনী একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের দাবি করেছে, তবে এই হামলার ফলে পুরো অঞ্চলে দীর্ঘ সময় সাইরেন বেজে ওঠে এবং জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
একই সময়ে লেবানন সীমান্ত দিয়ে হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর সংঘর্ষ আরও তীব্র হয়েছে। গত দুই দিনের লড়াইয়ে অন্তত নয়জন ইসরায়েলি সেনা আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হিজবুল্লাহর ছোড়া অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। সামরিক বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, এভাবে একাধিক ফ্রন্টে সংঘাত চলতে থাকলে তা দ্রুত একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে।
জেএইচআর








































আপনার মতামত লিখুন :