

হামাসের বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। হামলার অংশ হিসেবে গাজা উপত্যকার বেশ কয়েকটি এলাকার বাসিন্দাদের বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বলেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।
এছাড়া ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গাজায় সরবরাহ বন্ধের হুমকি দিয়েছেন। নেতানিয়াহু বলেছেন, গাজায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও পণ্য সরবরাহ বন্ধ করে দেবে ইসরায়েল।
গতকাল শনিবার (৭ অক্টোবর) ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়ায় অন্ধকারে রয়েছেন ওই এলাকার ফিলিস্তিনিরা।
গাজা ও এর উপকূলরেখার ওপর আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণ করে ইসরায়েল। এছাড়া সীমান্ত ক্রসিং দিয়ে প্রবেশ ও পণ্য চলাচলে অনুমতি দেয় তারা। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ২০০৭ সাল থেকে অঞ্চলটি অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। একইভাবে মিশরও নিজেদের দিক থেকে গাজা সীমান্তে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করে।
গতকাল সশস্ত্র হামাস সদস্যরা ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে প্রবেশ করেছিল। আতর্কিত হামলায় কয়েক হাজার রকেট ছোড়া হয়। হামাসের হামলায় ২৫০ জন ইসরায়েলি নিহত হয়।
অন্যদিকে পাল্টা হামলা করে ইসরায়েল। ইসরায়েলি বিমান হামলায় গাজায় ২৩০ এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। হামলা-পাল্টা হামলায় দুইপক্ষেই হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। এছাড়া হামাস জানায়, তারা ইসরায়েলি সেনা ও কর্মকর্তাদের তুলে এনেছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, তারা ‘দীর্ঘ ও কঠিন যুদ্ধে’ প্রবেশ করেছেন। হামাস তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ গাজায় ইসরায়েল পাল্টা বিমান হামলা: নিহত ১৬১






































আপনার মতামত লিখুন :