

ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রয়েছে। যার ফলে ইসরায়েলে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে জনমনে। তেল আবিবসহ একাধিক শহরে বারবার হামলার সতর্কতা সাইরেন বেজে উঠছে, কোথাও কোথাও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং হতাহতের ঘটনাও ঘটছে।
আর এই পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে চলমান সংঘাত দ্রুত আরও বিস্তৃত আকার নিতে পারে। একইসঙ্গে নতুন করে আরও বড় পরিসরে হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে ইরান।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, ইসরায়েলের ওপর ইরানের হামলা থামার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বুধবার (২৫ মার্চ) ভোরে হামলা কিছুটা কম থাকলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্রতা বেড়ে যায়।
ইসরায়েলের আকাশে ইরান থেকে ছোড়া একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়। তেল আবিবসহ মধ্য ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়। পরে এসব সতর্কতা তুলে নেয়া হলেও জানা গেছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিহত করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়ভাবে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে দেখা গেছে। আবারও এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল তেল আবিব।
এর আগে তেল আবিবের পাশের শহর বেনি ব্রাকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একটি আবাসিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে কিছু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অন্তত ৯ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ছয়জন শিশু বলে জানিয়েছে অ্যাম্বুলেন্স সেবা।
একই দিন তেল আবিবেও একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের বহুস্তর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে আঘাত হানে এবং এতে কয়েকটি ভবনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। ওই হামলায় চারজন আহত হয়। কীভাবে এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিতে পারল তা খতিয়ে দেখছে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী।
এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা ইসরায়েল ও ওই অঞ্চলে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে নতুন করে ৮০তম দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
ফার্স সংবাদ সংস্থায় প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, উত্তর ইসরায়েলের সাফেদ শহরের একটি সামরিক ঘাঁটি, তেল আবিব, কিরিয়াত শমোনা এবং বেনি ব্রাক শহরের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালানো হয়েছে।
একইসঙ্গে কুয়েত, জর্ডান ও বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোকেও লক্ষ্য করে হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে আইআরজিসি।






































আপনার মতামত লিখুন :